• ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

পশ্চিমবঙ্গ

রাজ্য

পশ্চিমবঙ্গের সকল বিদ্যালয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথের “বাংলার মাটি বাংলার জল”

রাজ্য সরকারের নতুন নির্দেশিকায় এবার প্রতিদিন বিদ্যালয়ের প্রার্থনায় বাজবে ঐক্যের সুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি বাংলার মাটি বাংলার জল।পশ্চিমবঙ্গ সরকার জানিয়েছে, রাজ্যের সব সরকারি ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলার মাটি বাংলার জল। সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছে, রাজ্যের সকল সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে এখন থেকে প্রতিদিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠানে গাওয়া হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি বাংলার মাটি বাংলার জল। শিক্ষা দপ্তরের নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এই গানটি বিদ্যালয়ের প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হলো।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে এই গানটি রচনা করেছিলেন। গানটি বাংলার মাটি, মানুষ ও সংস্কৃতির ঐক্যের প্রতীক। রাজ্য সরকারের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দেশপ্রেম, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ আরও দৃঢ় হবে।শিক্ষা দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে কবিগুরু রচিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে-এর পাশাপাশি প্রতিটি বিদ্যালয়ে নিয়মিত বাংলার মাটি বাংলার জল গীত হলে তা রাজ্যের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্যের এক শক্তিশালী অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে।মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমত্যানুসারে, এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালে রচিত বিখ্যাত বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি বিদ্যালয়ের প্রারম্ভে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার জন্য অনুমোদিত হল। কবি pic.twitter.com/OjWD68ddjD Bratya Basu (@basu_bratya) November 6, 2025পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু সামাজিক মাধ্যমে জানান, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমত্যানুসারে, এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি সরকার ও সরকার পোষিত বিদ্যালয়ে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালে রচিত বিখ্যাত বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি বিদ্যালয়ের প্রারম্ভে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে গাওয়ার জন্য অনুমোদিত হল। কবি কর্তৃক রচিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জনমনগণ অধিনায়ক জয় হের প্রতি বিদ্যালয়ে নিয়মিত গাওয়ার পাশাপাশি, এই রাজ্যসঙ্গীত গীত হলে, তা সমগ্র রাজ্যের সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক ঐক্যর বিশেষ অনুঘটক হিসেবে সর্বদা সজাগ ও সক্রিয় থাকবে বলে আমরা দৃঢ়বিশ্বাসী।তৃণমূল ঘনিষ্ট শিক্ষাবিদদের ধারণা, এই গান কেবল একটি সংগীত নয়, এটি বাংলার আত্মপরিচয়ের প্রতীক। বিদ্যালয়ে প্রতিদিন এই গান গাওয়া হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গর্ব ও ঐক্যের চেতনা জাগ্রত হবে।শিক্ষক সমাজ এবং সাংস্কৃতিক মহলের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এই উদ্যোগ এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলার মাটি বাংলার জল গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের সময় রচিত হয়েছিল। আজও এই গানের প্রতিটি শব্দ বাংলার মানুষকে ঐক্য, ভালোবাসা ও মানবতার বার্তা দেয়।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'সতীদাহের নামে নারীদের যেমন চিতায় তুলত, আমরাও তেমনই অগ্নিপরীক্ষায়', কালো পোশাকে প্রতিবাদে পরীক্ষাকেন্দ্রে মেহবুবরা

কালো পোশাকে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক মেহবুব মণ্ডল। কালো পাঞ্জাবি পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হলেন তিনি। বারুইপুরের বাসিন্দা মেহবুবের পরীক্ষা পড়েছে সোনারপুর বিদ্যাপীঠ স্কুলে। সকালেই রওনা দিয়ে পৌঁছে যান কেন্দ্রে। ক্ষোভ চেপে রাখেননি, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে সোজাসুজি উগরে দেন মনের কথা। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে সতীদাহের নামে নারীদের জোর করে চিতায় ঠেলে দেওয়া হত, কিংবা গ্যালিলিওকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আর বিচার বিভাগের সহায়তায় আজ আমাদেরও ঠিক তেমনভাবেই আবার নতুন অগ্নিপরীক্ষায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর ফল কী হবে, আমরা জানি না।সেই বহুল আলোচিত প্যানেলই এর কেন্দ্রে। রাতারাতি প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক চাকরি হারিয়েছিলেন। এরপর থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হয়েছে অসংখ্য শুনানি, দরবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি ফেরাতে না পেরে নতুন পরীক্ষাতেই বসতে হচ্ছে তাঁদের। এবার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ হবে ৩৫ হাজার ৭৫২ শূন্যপদে।দুই দফায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ সেপ্টেম্বরযেখানে নবম-দশম শ্রেণির জন্য পরীক্ষা দেবে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ প্রার্থী। দ্বিতীয় ধাপ ১৪ সেপ্টেম্বরএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য বসবেন আরও ২ লক্ষ ৪৬ হাজার চাকরিপ্রার্থী। ফলে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। রাজ্যজুড়ে প্রথম দিনে ৬৩৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে, আর দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্রে বসবেন পরীক্ষার্থীরা।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপের ভ্রুকূটি! ফের তুমুল ঝড়-জলের সতর্কতা জেলায়-জেলায়

IMD জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর-এর মধ্যে এটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে, যা বাংলা ও ওড়িশা উপকূলে প্রবল বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত সহ হালকা থেকে মাঝারি ঝোড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘের সম্ভাবনা বাড়াবে। জেলায়-জেলায় ব্যাপক বৃষ্টিরও সম্ভাবনা বাড়ছে।ফের এক দফায় সমুদ্র উত্তাল থাকার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। IMD-এর আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, এই নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে, যার ফলে সামনের ৪৮ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত ও অস্বস্তিজনক আবহাওয়ার প্রবণতা বাড়বে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যদিও বর্তমান নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব নেই। তবুও বজ্রপাত-সহ বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আগামী দুই-তিন দিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই বজ্রসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। বিশেষ করে কলকাতা, হুগলি, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পার্শ্ববর্তী জেলার ক্ষেত্রে ঝড়-জলের সম্ভাবনা বেশি।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। আজ সপ্তাহের প্রথম দিনে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মালদা, দুই দিনাজপুরের পাশাপাশি কোচবিহারেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দপ্তরের।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

আজ ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস একাধিক জেলায়, আবহাওয়ার উন্নতি কবে থেকে?

মৌসুমী অক্ষরেখা আপাতত বাংলা থেকে সরে গিয়ে ওড়িশার উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প প্রবাহিত হচ্ছে পূবালী হাওয়ায়। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই মৌসুমী অক্ষরেখা আবার বাংলার কাছাকাছি ফিরে আসতে পারে। বিশেষত মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:রবিবার ও সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশের পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা।দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি।রবিবার ও সোমবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কম হলেও জলীয় বাষ্পের কারণে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অব্যাহত থাকবে।মঙ্গলবার মৌসুমী অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের কাছে এগিয়ে আসবে, ফলে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে রবিবার বিক্ষিপ্তভাবে দুএক জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে।কলকাতার আবহাওয়াশহরে সকাল থেকেই আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্বস্তি আরও বাড়বে।আকাশ বেশিরভাগ সময় পরিষ্কার থেকে আংশিক মেঘলা, তবে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।রবিবার হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও হ্রাস পেলেও বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের মাত্রা বেশি থাকায় বৃষ্টি না হলে অস্বস্তি বাড়বে। মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পরিমাণ ফের বাড়বে বলে পূর্বাভাস। সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি কিছুটা কম হলেও মঙ্গলবার থেকে আবার বাড়তে পারে। আর উত্তরবঙ্গে রবিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও সোমবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তির দিকে যাবে আবহাওয়া।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকছে ১৫ জুলাই পর্যন্ত, বাড়ছে ছাড়-চলবে যাত্রীবাস

রাজ্যে ফের করোনার বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ জুলাই পর্যন্ত। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় আরও বেড়েছে। সোমবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলবে সরকারি ও বেসরকারি বাস। এখনই পুরোপুরি করোনাবিধি প্রত্যাহার হচ্ছে না। ১ জুলাই থেকে নতুন বিধিনিষেধ চালু হবে।কী কী ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী** রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে পারবেন না। আগের নিয়ম বহাল থাকছে।** সরকারি ও বেসরকারি বাস চালু করা হচ্ছে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস রাস্তায় নামত পারবে।** কলকাতা, জেলা ও রাজ্যের মধ্যে বাস চলাচল করবে।** অটো, টোটোসহ যাত্রীবাহন চলবে করোনা বিধিন মেনে ।** সেলুন ও বিউটি পার্লার চালু রাখা যাবে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। ৫০ শতাংশ কাষ্টমার থাকতে পারবে সেখানে। ভ্যাকসিন নিতে হবে কাস্টমার ও কর্মীদের। প্রতিদিন স্যানিটাইজ করতে হবে।** সবজি ও মাছের বাজার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগের থেকে ১ ঘণ্টা বেড়েছে এক্ষেত্রে।** এছাড়া বাকি দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।** জিম খোলা থাকবে ৫০ শতাংশ হাজিয়ায়। সকাল ৬টা থেকে ১০টা ও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা।** ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে দুপুর ২টো পর্যন্ত।** ট্রেন চালু করার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই পরিস্থিতি হয়নি।** বিয়ের অনুষ্ঠান বা উৎসবে সর্বোচ্চ ৫০ জন হাজির থাকতে পারবে।** যারা মহামারি আইন মানছে না তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।** রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকান খোলা থাকবে ১১টা থেকে ৮টা পর্যন্ত।** বেসরকারি বা কর্পোরেট সেক্টরে এখন থেকে ৫০ শতাংশ হাজিরা থেকে কাজ করতে পারবে। আগে ছিল ২৫ শতাংশ। কর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে সংস্থাকে।

জুন ২৮, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যে বিজেপিতে বিধায়ক ২৭জন!

এই মূহুর্তে বিজেপির মোট বিধায়কের সংখ্যা কত? সংখ্যাটা শুনলে হিসেব গুলিয়ে যেতে বাধ্য। অন্য দল থেকে যোগ দেওয়ার পর এরাজ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭-এ। যোগদানকারীদের মধ্যে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন। তবে সব থেকে বেশি বিধায়ক এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। এছাড়া রাজ্যের তিনজন প্রাক্তন মন্ত্রী যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এরাজ্যে বিজেপি মাত্র ৩ আসনে জয় পেয়েছিল। খড়্গপুর থেকে জয় পান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় দিলীপ ঘোষকে। তখন বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়ায় দুইয়ে। তারপর ২০১৯ উপনির্বাচনে আরও ৪ আসনে জয়লাভ করে পদ্মশিবির। মোট বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৬-এ। উল্লেখ্য, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এখন সেই দলে রয়েছে মোট ২৭ জন বিধায়ক। আর দুজন প্রাক্তন বিধায়ক। শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এঁরা প্রথমে মন্ত্রিত্ব ও পরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।তৃণমূল থেকে ১৫জন বিধায়ক এসেছেন পদ্মশিবিরে। কংগ্রেস থেকে ৩জন। ২জন সিপিএম থেকে ও সিপিআইয়ের ১ জন। এর মধ্যে দিপালী বিশ্বাস সিপিএম থেকে ভায়া তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কংগ্রেসের দুলাল বর তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দলে যোগদান করে এখন বিজেপির বিধায়ক ২৭ জন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় কীনা সেটাই দেখার।কংগ্রেস এখনও বিধানসভায় বিরোধী দল। এই দলের অধিকাংশ বিধায়ক লিখিতভাবে কংগ্রেসে থাকলেও তৃণমূল ও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যে এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা কত? তা বলতে হিমসিম খাবে রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূলে একদিকে যেমন অন্য দল থেকে বিধায়ক এসে যোগ দিয়েছে, ঘাসফুল থেকেও একটা অংশ বিজেপিতে গিয়ে ভিড়ছেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

নতুন দলে গিয়ে বদহজম হচ্ছে শুভেন্দুর, কটাক্ষ পার্থর

শুভেন্দু অধিকারী আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শুক্রবার কাঁথিতে দাদার হাত ধরে দলে যোগ দিলেন কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সৌমেন্দু অধিকারী। এদিন একই সঙ্গে আরও ১৪ জন কাউন্সিলর বিজেপিতে সামিল হন। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন দলের নতুন নেতা হয়ে নতুন ভাবে ভাবছেন। রামের টিকিটে জিতব করবো বিজেপি, এমন কথা যাঁরা বলতে চান সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁদের নিশ্চয় অভিজ্ঞতা আছে! তবে এসব চটুল কথায় রাজনীতিতে স্থান পাওয়া যায় না। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন হরিশচন্দ্র চ্যাটার্জী এবং হরিশ মুখার্জি রোড থেকে দেড় জন লোক বাংলা চালাচ্ছে। এই প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২১ বছর পর মনে হল। সূর্য উদয় হল। আমার মাঝে মধ্যে মনে হয় এঁদের মাথা ঠিক আছে তো! অতীত ভুলে গেলে হয় না। মেদিনীপুরের মানুষ মমতার সঙ্গে আছে। মেদিনীপুরের মানুষ সংগ্রাম বোঝে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংগ্রাম করেছে। নতুন দলে গেছেন তাই বদহজম হচ্ছে বলে মন্তব্য় করেন পার্থবাবু।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির সঙ্গে কী 'ডিল' হয়েছে শুভেন্দুর? নিজেই জানালেন বিস্তারিত

পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরানোর তিন দিনের মাথায় দাদার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন সৌমেন্দু অধিকারীসহ কাঁথি পৌরসভার ১৫ জন কাউন্সিলর। শুক্রবার কাঁথির ডরমেটরি ময়দানে বিজেপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান পর্বে শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য প্রশাসক থাকতে পারেন, তাহেরপুরে সিপিএমের প্রশাসক থাকতে পারে কাঁথিতে শুভেন্দু ভাই আছে অর্থাৎ তাঁকে সরিয়ে দাও। রামনগরের লোককে এনে কাঁথিতে পুরপ্রশাসক করা হয়েছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে শুভেন্দুর ডিল নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সেই ডিল-এর জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে ডেপুটি চিফ মিনিস্টার, বাবাকে রাজ্যপাল, ভাইকে মন্ত্রী এমন নানা বিষয় বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করে আসছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর সঙ্গে ডিল হয়েছে, প্রথমত প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষা হবে। নিয়োগ করতে হবে। টেট পরীক্ষা হবে প্রত্যেক বছর। ২-৪ হাজার টাকা মাইনের চাকরি থাকবে না। এখানে আয়ুস্মান ভারত চালু করা হবে। কৃষকরা ৬০০ টাকা পাবে। রাজ্যে সুশাসন আসবে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, সব ডিল কি বাইরে প্রকাশ পায়। এদিনও হরিশ চ্যাটার্জি ও হরিশ মুখার্জি রোড থেকে বাংলা চলতে পারে না বলে তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর মতে, উত্তর কলকাতার বাটখাড়া মন্ত্রী, হাওড়া অবহেলিত।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ শুভেন্দু অধিকারীর

নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগেছেন। ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়, অমিত মিত্রকও আক্রমণ শানাতে ছাড়েননি। শেষমেশ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ৭ জানুয়ারির বদলে ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু। জবাব দেবেন মমতার সভার। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এদিন প্রথম কাঁথিতে মিছিল ও সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। ভিড়ে ঠাসা ছিল মিছিল দাবি করেছে বিজেপি। এদিন শুভেন্দু একের পর এক তির ছুড়তে থাকেন। শুভেন্দু বলেন, মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী বলছেন শুভেন্দুর মুখে পরিবারতন্ত্র বলা মানায় না। আরে মাননীয় মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী আমি আপনার জামাইকে বলিনি তৃণমূলের যুব নেতা। লাল চুল, কানে দুল তার নাম যুবা তৃণমূল। আমি তাঁর কথা বলিনি। সৌগত রায়ের দাদা আমাদের বড় নেতা, প্রাক্তন রাজ্যপাল। আমি তাঁর কথাও বলিনি। আমি বলেছি কয়লা চোর, বালি চোর, পাথর চোর, গরুপাচারকারী ভাইপোর কথা। আবার চাকরি দিতে পারেনি পাউচ বিক্রি করার ব্যবস্থা করেছেন অর্থমন্ত্রী, বলেছেন শুভেন্দু। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেননি শুভেন্দু। এদিন কাঁথির সভায় তৃণমূলনেত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণও করেছেন তিনি। প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী বলেন, আপনি ৭জানুয়ারী, ১৪মার্চ, ১০ নভেম্বর কোনও দিন আসেননি। কাল টিভিতে দেখলাম আপনি আসছেন। আপনি এলে রাস্তা সারাবে। আমার জেলার লাভ হবে। আমি ৭ তারিখে প্রতিবছর আমি যাই। এবার ওই দিন বড় কর্মসূচি নেব না। ৭ তারিখ আসছেন, ভাল কথা মোস্ট ওয়েলকাম। এতদিন আসেননি। আসুন। আমি যা যা বলতে আসছেন আমি জানি। ১০০০টা শুভেন্দু তৈরি হয়। কে ওটা, কী হবে। শুভেন্দুকে কাউন্টার করতে হাটবারে হাটবারে চারটা-পাঁচটা পুলিশের পাইলট কার নিয়ে জোড়া জোড়া মন্ত্রী। শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জ, ৭ তারিখে আসুন, ভাষন দিন। আমি ৮ তারিখে সভা করা আপনার সব কথার জবাব দিয়ে দেব। আমি শৃঙ্খলাপরায়ন লোক। আমি আজই কৈলাশ বিজয়বর্গীয় জানিয়েছি নন্দীগ্রামে ৮ তারিখ সভা হবে। উনি সরকারি ক্ষমতায় লোক আনবেন, আমি আবেগ-ভলবাসায় লোক আনব। শুভেন্দু এদিন একাধিকবার ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, উপনির্বাচনে টিকিট পায়নি বলে তৃণমূলনেত্রীর বাড়িতে ঢিল মারতে গিয়েছে। আমফানের পর কলকাতার লোক বুঝে গিয়েছিল কী তাঁর যোগ্য়তা। গ্রামের সঙ্গে লড়াই দক্ষিণ কলকাতার চার-পাঁচটা লোকের। ৪০ টা দফতর ওই চার-পাঁচটা লোকের। শুভেন্দুর ঘোষণা, গোপীবল্লভপুরের দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু হাত মিলিয়েছে। যেতে তোমাদের হবেই। পদ্ম ফুটিয়ে ঘুমাতে যাব।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

আতঙ্ক বিদেশে, করোনায় সুস্থতার হার বেড়েছে বাংলায়

ব্রিটেনে নতুন করে করোনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও ভারতে সেই আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এদিকে বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৩ জন। একই সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক সুস্থতার হার। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী বাংলায় করোনা অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৮। দৈনিক অ্যাক্টিভ কমেছে ৬৫৫। সরকারি রিপোর্ট দেখা যাচ্ছে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজ্যে বাড়ছে সুস্থতার হার। এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯৯৬। অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৮। দৈনিক অ্যাক্টিভ কেস কমল ৬৫৫। একই সঙ্গে সুস্থতার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,২৭০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩০৯ জন। সুস্থতার হার এখন ৯৫.২৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দৈনিক মৃত্যুহারের সংখ্যাও কমেছে রাজ্যে। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও অ্যাক্টিভ কেসের নিরিখে এখনও শীর্ষে কলকাতা। কলকাতায় মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৮৬০। এরপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (২৯৭৪), হুগলি (৮১১), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৯৩৩), হাওড়া (৭৯৮)।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

শীতে বাংলায় কমছে করোনার দাপট, স্বস্তি

কনকনে ঠান্ডায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে করোনার ভয়াবহ দাপট। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে দৈনিক করোনা সংক্রমণের বেশ খানিকটা হ্রাস পেয়েছে। বিগত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫১৫ জন। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ১,৯৭৮। এক ধাক্কায় কমেছে প্রায় পাঁচশো।সোমবার পর্যন্ত এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩৪৩। দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় এরাজ্যে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৪২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১২ হাজার ৩৯ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৫.১১ । আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও সেই হারে মৃত্যুহার কমেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রাজ্যে আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুলনামূলকভাবে আক্রান্তের হারের তুলনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বাংলায় মৃতের সংখ্যা বেশি। অ্যাক্টিভ কেসে অন্য জেলাগুলিকে পিছনে ফেলে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। মহানগরে মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪০০৯। যথারীতি কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩১৩৩)। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১০০৭), হুগলি (৮৭৪), হাওড়া (৮৬২), পূর্ব মেদিনীপুর (৭৪৪),পশ্চিম মেদিনীপুর (৬৫১),নদিয়া (৭৩৬)।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কার

শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হল। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী জানিয়ে দিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সম্পাদক কণিষ্ক পন্ডাকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি সেই নির্দেশ তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বকে জানিয়ে দিতে বলেছেন। রবিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কণিষ্ক পন্ডা শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিগত কয়েকদিনে একাধিকবার শুভেন্দুর পাশে থাকার কথা বলেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এই তৃণমূল নেতা। শুধু তাই নয়, শুভেন্দুকে সমর্থন করে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কনিষ্ক। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই দল বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ এই নেতা। শেষমেষ দল তাঁকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল। ইতিমধ্যে রাজ্যের একাধিক তৃণমূল বিধায়ক, নেতা নানাভাবেই শুভেন্দুকে সমর্থন করে বক্তব্য পেশ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী দলে না থাকলে দলের সমূহ ক্ষতি হবে। যদিও সেই সব নেতাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে যেভাবে দলের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করছে তাতে দলের বিপদ ক্রমশ বাড়ছে। বিভ্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূলের নীচুতলার নেতা-কর্মীরা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার?

বাঁকুড়া সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার তাঁর বাঁকুড়া সফরে সঙ্গী ছিলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার দলনেত্রী নিয়ে গিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলাও করে সরকারি বিজ্ঞাপনে তাঁর নামও ছাপা হয়েছে। সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর সঙ্গে বাগযুদ্ধ চলছে শুভেন্দুবাবুর। তাঁর মতো জননেতাকে কল্যাণের বিলো দ্য বেল্ট লাগাতার আক্রমণ ভালোভাবে নিচ্ছেন না তৃণমূলের অনেকেই। বিশেষ করে যখন সৌগত রায়ের আরও একবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা। শুভেন্দুবাবু দলনেত্রী সম্পর্কে কিছু বলেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেননি। তবে গাড়ি বা হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গীদের দেখে অনেক বার্তা বোঝা যায়। কল্যাণকে সঙ্গে নিয়ে জেলা সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দিলেন তা নিয়েই চর্চা চলছে।আরও পড়ুন- শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যমরবিবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দলের অনেকেই দোদুল্যমান। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথার উপর না থাকলে কার কত দম সেটাও বোঝা যাবে গোছের নাম না করে একটা বার্তা দেন তৃণমূল মহাসচিব। তারপরেই মমতা-কল্যাণ বাঁকুড়ায়। প্রশ্ন উঠছে, কল্যাণ যে শুভেন্দুবাবুকে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন (যা নিয়ে শেরপুরের সভায় নাম না করে কল্যাণকে অনিল বসুর সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন রাখেন, এই কালচার আপনারা সমর্থন করেন?), তাহলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করছেন? অভিজ্ঞমহলের মতে, নীরবতা এমনিতেই সম্মতি লক্ষ্মণ। সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করেনি দল। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি তৃণমূল শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ চাইছে?আরও পড়ুন- বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরশুভেন্দুবাবুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাঁকুড়ার দুটো লোকসভা আসনে হারে তৃণমূল। শুভেন্দুবাবু কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তৃণমূলের যে ঢাকিশুদ্ধ বিসর্জন হবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নিশ্চিত। বিভিন্ন জেলা থেকেও তেমন ভাঙনের আভাস মিলছে। অনেকে বলছেন, দিদির ম্যাজিক যদি থাকত তাহলে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ ২২-এ থমকাতো না। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ভোটের ফলের চাবিকাঠি থাকবে পান্তা খাওয়া, গামছা পরা গ্রামের ছেলে নন্দীগ্রামের বিধায়কের হাতেই।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে শুরু লোকাল ট্রেন চলাচল

করোনাজনিত কারণে চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল লকডাউন। সেই থেকে ৮ মাস গড়ায়নি লোকাল ট্রেনের চাকা। মাঝে রেলকর্মীদের জন্য স্পেশাল ট্রেন চললেও সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কাছে অধরাই থেকে গিয়েছিল লোকাল ট্রেন। অবশেষে রাজ্য-রেল বৈঠকের পর বুধবার সকালে প্রায় সাড়ে ৭ মাস পর বাংলায় চালু হল লোকাল ট্রেন পরিষেবা। বুধবার সকাল থেকেই হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে ছিল যাত্রীদের লম্বা লাইন। বঁনগা স্টেশনেও ভিড় ছিল ভালই। কয়েকটি স্টেশনে কিছুটা হলেও ভিড় দেখা গিয়েছে। আবার কয়েকটি স্টেশনে একদমই ভিড় ছিল না। নিয়ম মেনে প্রত্যেক যাত্রীই পালন করেছে কোভিডবিধি। পরিস্থিতি আয়ত্তে রাখতে প্রতি স্টেশনেই রয়েছে আরপিএফ, জিআরপি। ঘিরে দেওয়া হয়েছে স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথ। যাতে কোনও ভাবে জমায়েত হতে না পারে। কিন্তু এদিন যারা ট্রেনে যাতায়াত করেছেন , সকলকে অনেকক্ষণ ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে চালু এবার নতুন ওয়েবসাইট রেলসুত্রে খবর, প্রতিদিন রাজ্যে ৬৯৬টি ট্রেন চলবে। শিয়ালদা ডিভিশনে চলবে ৪১৩টি ট্রেন, শিয়ালদা উত্তর ও মেইন শাখায় চলবে ২৭০টি ট্রেন, শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় চলবে ১৪৩টি ট্রেন, হাওড়া স্টেশনে ২০২টি ট্রেন, বাকি ৮১টি ট্রেন চলবে খড়গপুর ডিভিশনে। যাত্রীদের দাবি , আরও বেশি সংখ্যায় ট্রেন চালানো হলে সকলে কোভিড বিধি মেনে যাতায়াত করতে পারে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় মৃত্যুহার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২৮ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ১ হাজার ৩৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডের কারণে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার ফলে রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ২৩৫ জন। তবে এই পরিস্থিতিতে আশা জোগাচ্ছে করোনায় সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৯ জন। যা দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় অনেকটাই বেশি। রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭১ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯.৪৬ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ছে করোনায় সুস্থতার হার অন্যদিকে , একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ২২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪৮ লক্ষ ৬৯ হাজার ৫৫৪ জনের। তার মধ্যে ৮.২৪ শতাংশ ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫১ জন। সংক্রমিতের নিরিখে তারপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগতঃ ধনকড়

রাজ্য সরকার কোনও আইন-শৃঙ্খলা মানছে না। সংবিধান মানছে না। শাসন চালাতে গেলে সংবিধান মানতে হবে, তা এখানে মানা হচ্ছে না । ফের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রসঙ্গত , শনিবার তিনি পৌঁছান শিলিগুড়িতে। রবিবার তিনি দার্জিলিঙের উদ্দেশে রওনা হবেন। তার আগে শিলিগুড়িতে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন , কেন্দ্রের প্রকল্পের বিরোধিতা করছে রাজ্য । রাজ্য আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সাহায্য নেয়নি । সংকটের সময় সাহায্য নেওয়া উচিত ছিল । করোনা পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে , রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে । প্রকল্পের সাহায্য নিলে পরিস্থিতি আলাদা হত । প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা পেয়েছে কৃষকরা। দেশের সব জায়গায় সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা চলে গেছে । পশ্চিমবঙ্গের কৃষকরা তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে । আরও পড়ুন ঃ ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি মুখ্যসচিবের রাজ্যে নারী নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ , রাজ্যে ধর্ষণ বেড়েছে । মেদিনীপুরে 33 শতাংশের বেশি ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে । সরকারি রিপোর্ট তাই বলছে । সরকারী কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাজ্যপাল বলেন , উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগত । আমার কাছে রিপোর্ট এসেছে। রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না । আপনাদের বয়স কম , আগুন নিয়ে খেলবেন না। আইন আপনাকে ছাড়বে না। পাশাপাশি তিনি জানান , রাজনীতিতে কে হারল , কে জিতল , সেটা আমি পাত্তা দিই না । যা করছি , সেটা আমার কাজ । উত্তরবঙ্গে সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করব ।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি মুখ্যসচিবের

বিশেষ কয়েকজোড়া ট্রেন চালানোর আবেদন নিয়ে রেলকে চিঠি লিখলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদী। রেলের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলেন তিনি। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে টুইট করে খবরটি জানানো হয়েছে।সেখানে স্বরাষ্ট্রসচিব এইচ কে দ্বিবেদী লিখেছেন , এর আগে মেট্রো চলাচলও যথেষ্ট সতর্কতা ও দক্ষতার সঙ্গে চালু করতে সক্ষম হয়েছে রাজ্য। এবার রেলের সম্মতি মিললে সকাল ও সন্ধ্যেবেলায় বিশেষ কয়েকজোড়া ট্রেনও ভালভাবেই চলতে পারবে এ রাজ্যে। তাতে জনসাধারণেরও অনেক সুবিধা হবে। হাওড়ার ঘটনা নিয়ে তিনি চিঠিতে লিখেছেন , এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে শুধুমাত্র রেলকর্মীদের জন্য রাজ্যে বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে এবং তাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার নেই। স্পেশ্যাল ট্রেনে উঠতে চাওয়া যাত্রীদের প্রতি আরপিএফের আচরণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্যদিকে , শনিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রেল ও কেন্দ্রের এই ভূমিকা নিয়ে রাজ্য সরকার ক্ষুব্ধ ও ক্ষুন্ন। আলোচনার মাধ্যমে লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য আমরা অনেক আগেই চিঠি দিয়েছিলাম রেলকে। কিন্তু রেল আমাদের কথা শোনেনি। মেট্রো পরিষেবা যেরকম চালু হয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সেভাবে লোকাল ট্রেন চালুর জন্য আমরা পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে চিঠি দিয়েছি। পূর্ব রেল জানিয়েছে, সোম-মঙ্গলবারের মধ্যে তারা অফিসার পাঠিয়ে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি-ভাইরাসের ভ্যাকসিন কী? আরামবাগে জানালেন শান্তনু প্রসঙ্গত , আনলক পর্বে রাজ্যে শুধুমাত্র রেলকর্মীদের জন্যই বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে। সেই স্পেশাল ট্রেনে উঠতে চাইছেন সাধারণ নিত্যযাত্রীরা। এনিয়ে রেল পুলিশের সঙ্গে যাত্রীদের প্রতিদিন বচসা লেগেই রয়েছে। শুক্রবারের পর শনিবারও যাত্রী বিক্ষোভে উত্তাল হয় হাওড়া স্টেশন চত্বর। রেলকর্মীদের জন্য বরাদ্দ ট্রেনে ওঠার দাবি নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে জড়ো হন যাত্রীরা। ক্যাব রোডের গেট দিয়ে ওই যাত্রীরা ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করতেই আরপিএফ বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আরপিএফের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন যাত্রীরা।

নভেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

শুক্রবারও কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ জন। এর ফলে আক্রান্তের সংখ্যা মোট বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬৭১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ১৫ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৮৮ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৮.১৬ শতাংশ। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫৯ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৭৮৪ জন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি সংক্রমণের নিরিখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত ৮৬৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩ হাজার ৭৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ লক্ষ ১২ হাজার ২৭০ জনের।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে’ : দিলীপ

বিজয়া দশমীতে দলের নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এক খোলা চিঠিতে তিনি লেখেন, মা আমাদের জন্য নিয়ে আসেন শুভশক্তি ও তাঁর আশীর্বাদ দিয়ে যান , যা আমাদের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা যোগায়।বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে সংঘাত ও সফলতার সুপরিচিত যাত্রাপথে বেশ কয়েকটা বছর কেটে গেল। আজ বিজয়া দশমীর পুণ্য দিনে আপনাদের উদ্দেশ্যে কিছু অব্যক্ত মনের কথা তুলে ধরা খুব প্রাসঙ্গিক মনে হল। বিগত কয়েক বছর যাবৎ আপনারাই আমার ভাই , বোন, বন্ধু , পরিবার। আমার আজও মনে আছে সেদিনের কথা, যেদিন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমার কাঁধে রাজ্য সভাপতির গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেন এবং আপনারা পরম আন্তরিকতার সাথে আমাকে সসম্মানে বরণ করে নিয়েছিলেন। আপ্লুত হয়েছিলাম সেদিন, প্রতিজ্ঞা করেছিলাম সাফল্য অর্জন করে আপনাদের সম্মানিত করব। ঠিক সেদিন থেকেই আমি নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও আনুগত্যের সাথে দায়িত্ব নির্বাহ করার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে গিয়েছি। অতি প্রয়োজন ছাড়া একদন্ড অবসর নিইনি।আপনাদের মত আমিও আমার ব্যক্তিগত সুযোগ সুবিধার চেয়েও দলের প্রয়োজনীয়তা কে অগ্রাধিকার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আরও পড়ুনঃ হেরে গেলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অন্য রাজ্যে বাসস্থান খুঁজতে হবে , হুঁশিয়ারি অনুপমের দলীয় কর্মীদের সাথী সম্বোধন করে তিনি বলেন, একমাত্র আপনাদের ভালবাসা আর কর্তব্যনিষ্ঠার বলে বলীয়ান হয়ে, ঈশ্বরের আশীর্বাদকে সঙ্গী করে আজ আমরা আমাদের দলকে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে পেরেছি। আজ যখন আমি পেছন ফিরে দেখি স্মৃতির সরণি বেয়ে একাধিক আনন্দঘন ঘটনা স্মৃতিপটে প্রতিফলিত হয়, যা কিনা সম্পূর্ণভাবেই আপনাদের আন্তরিকতা ও একাগ্রতার ফসল বলে আমি কায়মনোবাক্যে বিশ্বাস করি। ২০১৬ সালের নির্বাচনে ১০% জনগণের আশীর্বাদপুষ্ট আমাদের দল ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৪০% এর উপর মানুষের আশীর্বাদে ধন্য হয়েছে, যা আপনাদের হার না মানা জেদ তথা অধ্যাবসায়ের ফলেই সম্ভবপর হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১৮ জন সাংসদ কে জিতিয়ে আনা, আপনাদের ত্যাগ তিতিক্ষা দায়বদ্ধতার স্বপক্ষেই এক প্রামাণ্য দলিল। ২০১৪ সালে সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গও যখন মোদী ম্যানিয়ায় আক্রান্ত ছিল তখন আমরা মাত্র ২ টি লোকসভা আসন জয় করতে সমর্থ হয়েছিলাম, যেখানে শতকরা ভোটার হার ছিল মাত্র ১৭%। 2016 সালে আমার কৰ্মলগ্ন শুরু হয় রাজ্যের তিন প্রান্তের মাত্র তিনটি বিধায়ক দিয়ে । সেখানেই আমরা থেমে থাকিনি। আমাদের বিজয়রথ ক্রমাগত শাসকের দমন-পীড়ন নীতিকে উপেক্ষা করে , পুলিশি নির্যাতন , কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা , খুন - সন্ত্রাস সত্ত্বেও এগিয়ে চলেছে।একটা সময় ছিল যখন বুথ ভিত্তিক কার্যকর্তা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ছিল। আজ প্রায় সব বুথেই একাধিক কর্মী সক্রিয়, কোন কোন বুথে তো কর্মী সংখ্যা শতাধিক অতিক্রান্ত। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে, কারণ পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র আজ বিপন্ন , শাসকের ক্রমাগত বঞ্চনা-দূর্নীতি-অপশাসনে মানুষ অতিষ্ঠ।সোনার বাংলা গড়তে আমরা রাজ্যবাসীর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজ্য সভাপতি হিসেবে আপনাদের কাছে আবেদন যে, বাংলার স্বার্থে, বাঙালীর স্বার্থে আবারও একবার নিজেদের উজাড় করে দিয়ে আমাদের প্রমাণ করে দিতে হবে যে সদিচ্ছা থাকলে যে কোন অসাধ্য সাধন আমাদের কাছে অতি ক্ষুদ্র বিষয়। আমাদের পারদর্শিতা আমরা বারবার প্রমাণ করেছি তা সে লোকসভা ভোটই হোক অথবা পঞ্চায়েত। লক্ষ্য এবার একুশের বিধানসভা, আমাদের সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনতেই হবে। সময় এসেছে যখন আমাদের এক সূত্রে গ্রথিত হয়ে সমবেত কণ্ঠে সঙ্কল্প গ্রহণ করে বলতে হবে যে করব মোরা লড়ব মোরা সোনার বাংলা গড়ব মোরা। এদিন তিনি অস্ত্র পুজো করেন। তিনি বলেন , অধর্মের ওপর ধর্মের বিজয়, অন্যায়ের উপর ন্যায়ের বিজয়, এটাই বিজয়াদশমীর আহ্বান। শস্ত্র হচ্ছে শক্তির প্রতীক, দেশ-ধর্ম-সমাজ রক্ষার জন্য শস্ত্রের প্রয়োজন, শস্ত্রই আমাদের রক্ষা করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে মহারেকর্ড! গ্রুপ পর্ব শেষের আগেই যা ঘটল, তাকিয়ে বিশ্ব

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তার আগেই তৈরি হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এবারই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছত্রিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। ফলে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েছে এই আসর।এর আগে সর্বাধিক দর্শকের রেকর্ড গড়েছিল উনিশশো চুরানব্বই সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরেও আয়োজক ছিল আমেরিকা। তখন বাহান্নটি ম্যাচে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় সেই রেকর্ড অটুট ছিল। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও প্রতিযোগিতার আটচল্লিশটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তার আগেই সর্বাধিক দর্শকের নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, প্রবেশের জটিলতা এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। খেলার টিকিট, যাতায়াত এবং থাকার খরচও ছিল বেশ বেশি। তাই অনেকের আশঙ্কা ছিল, দর্শক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে।কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রায় পুরো স্টেডিয়াম দর্শকে ভরে গিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ছত্রিশ লক্ষ পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। অধিকাংশ স্টেডিয়ামেই আসন প্রায় সম্পূর্ণ পূর্ণ ছিল।এখনও নকআউট পর্ব শুরু হয়নি। তাই আগামী দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সংস্থার অনুমান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার আগেই চল্লিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক মাঠে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও! তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেপ্তার আট

মন্দিরের দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ।তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা নজরদারি এড়াতে কৌশলে নজরদারি যন্ত্র ঢেকে রাখত। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা প্রথমে শৌচাগারের ভিতরে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুবিধাজনক সময়ে সেই অর্থ গোপনে মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরে সেই টাকা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিলি করা হত।বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চুরির ঘটনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনা তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দুজন কয়েক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনায় আরও কয়েক জন সরকারি কর্মীর যোগ থাকতে পারে। তবে সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে।বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দিরে নগদ অনুদান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি প্রচুর সোনা ও রুপোর অলঙ্কারও দান করা হয়েছিল। তদন্তে অভিযোগ, সেই বিপুল সম্পদের একটি অংশের হিসাব এখনও মেলেনি। নগদের পাশাপাশি দান করা কয়েকটি মূল্যবান রুপোর সামগ্রীও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তাঁদের অনুমান। যদিও মোট কত টাকা বা সম্পদ খোয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! অনুপ্রবেশ থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, একের পর এক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ধর্মান্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শরণার্থীদের কোনও ভয় নেই। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ভূমি দখল, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের মতো অভিযোগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে আর কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই সরকার এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করবে।বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে কলেজ স্ট্রিট এবং নৈহাটিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অতীতে একই ধরনের কর্মসূচি করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বন্দে মাতরম শুধু একটি গান নয়, এর মধ্যে দেশপ্রেম এবং জাতীয় চেতনার গভীর বার্তা রয়েছে। সেই মূল্যবোধ সমাজে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দে মাতরমকে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই এখন নিয়ম মেনে গান গাইছেন। সময়ের সঙ্গে আরও বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই গান গাইবেন বলেই তাঁর আশা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গিরকে দড়ি বেঁধে ঘোরানো নিয়ে বড় প্রশ্ন! মানবাধিকার ইস্যুতে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

ফলতার জাহাঙ্গির খানকে গ্রেপ্তারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে এবং অস্বাভাবিক পোশাকে প্রকাশ্যে ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। জাহাঙ্গির খানের স্ত্রী সারিকা বিবির দায়ের করা মামলার শুনানিতে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত চললেও কোনও অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ করা যাবে না, যা তাঁর মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী পয়লা জুলাই।প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। নির্বাচনের আগে তাঁর একাধিক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। পরে ভোটের আগে তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর তিনি প্রকাশ্যে আর দেখা না গেলেও পরে বাংলা-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী।গ্রেপ্তারের পর ফলতার সহরারহাট এলাকায় জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি বেঁধে এবং সাধারণ পোশাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ প্রথমে তাঁকে চিনতে না পারলেও পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় জাহাঙ্গির খানকে হাতজোড় করে হাঁটতে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়।এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী। মামলার শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া চলবে ঠিকই, তবে কোনও অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে শুরু হয়েছে আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মেয়ের এক আবদারেই বদলে গেল সব! তারাতলার মৃত্যুফাঁদ থেকে অলৌকিকভাবে ফিরলেন শ্রমিক বাবা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এক শ্রমিক। আর সেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার পিছনে রয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়ের এক আবদার। কাজে যেতে না দেওয়ার জন্য মেয়ের জেদের কাছে হার মেনেছিলেন বাবা। কয়েক ঘণ্টা পরেই ভেঙে পড়ে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। এখন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বারবার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন তিনি।জগদ্দলের মোমিনপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরেও কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। প্রতিদিন সাতশো টাকা মজুরি পেতেন। সেদিন অতিরিক্ত তিনশো টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন ঠিকাদার। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ধর্মেন্দ্র।কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘুম থেকে উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছোট্ট মেয়ে। তার একটাই আবদার ছিল, সেদিন যেন বাবা আর কাজে না যান। প্রথমে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মেয়ের জেদ আর ভালোবাসার কাছে হার মানেন ধর্মেন্দ্র। অতিরিক্ত আয়ের লোভ ছেড়ে বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কয়েক ঘণ্টা পর খবর আসে, দুপুরে আচমকাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান ধর্মেন্দ্র। বুঝতে পারেন, সেদিন কাজে গেলে হয়তো তিনিও আর বেঁচে ফিরতেন না।শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে সেই সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তাঁর পরিবর্তে সেদিন কাজে গিয়েছিলেন এবং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে ধর্মেন্দ্র বলেন, তাঁর মেয়েই আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মেয়ের কথা না শুনলে হয়তো তিনিও আজ বেঁচে থাকতেন না।তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মধ্যে ধর্মেন্দ্র ও তাঁর ছোট্ট মেয়ের এই ঘটনা এখন অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই শ্রমিকের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সত্য, সন্তানের একটুকরো ভালোবাসাই তাঁর নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে অধীর, বড় অভিযোগে চাঞ্চল্য

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার নামে রাজ্যে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষের নাম খামখেয়ালিভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই ঘটনায় তিনি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন।আদালতে দাখিল করা আবেদনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, কোনওরকম শুনানির সুযোগ না দিয়েই সামান্য ভুলের অজুহাতে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।অধীরের আরও দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে যাওয়ার পর আপিলের শুনানির গতি আরও কমে গিয়েছে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদে মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনালে প্রতিদিন অল্প সংখ্যক মামলার শুনানি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জমে থাকা সব মামলার নিষ্পত্তি হতে আরও চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ফলে বহু দরিদ্র মানুষ সরকারি প্রকল্প এবং সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত অতিরিক্ত আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে।অধীর রঞ্জন চৌধুরী আদালতের কাছে আরও আবেদন করেছেন, মুর্শিদাবাদ ও মালদার মতো জেলায় ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হোক। পাশাপাশি মামলার চাপ কমাতে পর্যাপ্ত কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া মামলার তালিকা এবং রায় সহজে দেখার জন্য একটি স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আবেদনও করা হয়েছে।একইসঙ্গে আদালতের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে, আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নাগরিকের সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হোক।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত! এক মাসের জন্য থামছে বহুতল নির্মাণ, বাতিল হতে পারে অনুমোদন!

গার্ডেনরিচ ও তারাতলার মতো একের পর এক দুর্ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতল নিয়ে। আগামী এক মাস কলকাতা-সহ একাধিক পুর এলাকায় পাঁচ তলার বেশি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে বিশেষ অডিট কমিটি প্রতিটি নির্মাণের নকশা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বহুতলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নগরায়ণ থামানো সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তবে কোনওভাবেই মানুষের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া হবে না।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক মাস কলকাতা, বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন, পূজালি, বারুইপুর, মহেশতলা, রাজপুর-সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর এবং বালিতে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের কাজ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই এগারো সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটি প্রথমে বহুতলের নকশা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবে। এরপর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না, তাও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সরকার জানিয়েছে, যেখানে সামান্য ত্রুটি থাকবে সেখানে নির্মাণ সংস্থাকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে বহুতলের অনুমোদন সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।অডিট কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা রাখা হয়েছে নব্বই দিন। তবে যে সব বহুতল নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, সেগুলির নির্মাণকাজ আগামী এক আগস্ট থেকে আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নির্মাণ বা সংস্কারের কাজে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। ফলে আগামী এক মাস নিজের বাড়ির নির্মাণ বা মেরামতির কাজ স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জুন ২৬, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিন পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা! আদালতে নিয়ে যেতেই যা করল জনতা, তোলপাড় ক্যানিং

ভোটের পর থেকেই পলাতক ছিলেন ক্যানিংয়ের এক তৃণমূল নেতা। দীর্ঘদিন খোঁজ চালানোর পর অবশেষে তাঁকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটল, তা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ধৃত ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইন্দ্রজিৎ সর্দারকে থানার বাইরে আনা মাত্রই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ তাঁকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকটি ডিম তাঁর মাথাতেও লাগে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায় এবং মারধরের মতো নানা অভিযোগ ছিল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগও ওঠে। এছাড়া একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়দের একাংশ।স্থানীয়দের দাবি, একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই ক্ষোভ থেকেই গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার সামনে বহু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশও। ধৃতকে থানার বাইরে আনার সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস, অস্ত্র মামলার তদন্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal